ঢাকারবিবার , ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১
  1. Games
  2. করোনাভাইরাস
  3. খেলাধুলা
  4. জাতীয়
  5. টেকনোলজি
  6. দুর্ঘটনা
  7. বিনোদন
  8. লাইফস্টাইল
  9. সফলতার গল্প
  10. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মেয়ে ও নাতনীকে তালাবদ্ধ করে অভিনব কৌশাল খাটালেন (মা) খাদিজা বেগম

কালের পোস্ট ডেক্স
সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১ ৮:১৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ad

মোঃআশরাফুল ইসলাম: জেলা প্রতিনিধি পটুয়াখালী। পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলায় (সৎ মা) মেয়ে ও নাতনীকে ঘরের ভিতরে তালাবদ্ধ  করে রেখে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে অভিনব কৌশল অবলম্বন করেন সৎ মা খাদিজা বেগম।

ঘটনাটি ঘটে পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার পায়রাকুঞ্জ ৩নং ওয়ার্ডে।

৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং রোজ বুধবার মোসাঃ মোর্শেদা বেগম(২২) বাদিনী হয়ে পটুয়াখালী বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রট আদালতে (যৌতুম)  মামলা দায়ের করে।৷

উক্ত মামলার বিবাদী হলো ১. মোঃ কামাল শেখ (৩৫) পিতা মোঃ আজিজ শেখ (বাদিনীর স্বামী), মোঃ ছালাম শেখ (৪৩) পিতা,আজিজ শেখ। মোসাঃরিজিয়া বেগম(৬৫) স্বামী মোঃ আজিজ শেখ।

বাদিনী, মোসাঃ মোর্সেদা বেগম (২২) পিতা, মোশারফ হাং, স্বামী কামাল শেখ। ৩ নং ওয়ার্ড পায়রাকুঞ্জ,  জি,আর মামলা নং ১৩৫/২০২১

১২/৯/২১ ইং তারিখ রোজ রবিবার ১০ঃ৩০ মিনিটের সময় যৌতুক মামলার জামিন পাওয়ার জন্য  বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিট্রেট আদালত (পটুয়াখালী) আবেদন করেন এ্যডঃ মোঃ বাবুল হোসেন।

এ্যাডঃ মোঃ বাবুল হোসেন বিজ্ঞ আদালতে চলমান জিআর ১৩৫/২১ মামলার  জামিন চাইতে গেলে বাদিনীর সৎ মা কেঁদে কেঁদে বলেন আমার মেয়ে কথা বলতে পারেনা, বাড়ি থেকে  সকালে কোর্টে আসার সময় আমাকে মার ধর করে আসামী পক্ষ। মেয়ে মোর্সেদা ও নাতিনীকে ঘরে তালা বদ্ধ করে রাখে, আমি কোন মতে পালিয়ে  আসছি আদালতে।

বাদিনীর মা এর কথা  শুনে  সাহসী, ন্যায়ও, তরুণ, বিচারক  সরজমিনে তদন্তের জন্য  সোর্স পাঠালে তারা জানান যে, এটা একটি অভিনব কৌশল।

কামাল শেখকে যৌতুক মামলার  তৃতীয় বারের জামিন শুনানিতে, (বাদিনী) মোর্সেদা ও নাতনিকে ঘরে আটকে রেখে আদালতে আসেন সৎ মা খাদিজা বেগম।

ঘরে বন্দির বিষয়ে বাদিনী মোর্সেদার কাছে জানতে চাইলে দুই হাতের ইশারায় বুঝিয়ে দেয় যে, সৎ মা বাচ্চা সহ ঘরে আটকে রেখে আদালতে গেছেন।

কামাল শেখের মা বলেন,  আমার ছেলেকে যদি ম্যাজিস্ট্রেট স্যারে জামিন দিতেন তা হলে আমি আমার ছেলে  বউ নাতিকে নিয়ে একসাথে থাকবো আর কোন সমস্যা হবেনা।

আমি স্যারকে বলতে চাই, আমরা স্বামী প্যারালাইজড হয়ে ঘরে আছেন দীর্ঘ দিন যাদত। আমি ও হার্ডের রুগী ছেলে কামাল ব্যাতীত আমার দেখাশোনার কেউ নেই।

আমি মা হয়ে স্যারের কাছে অনুরোধ করছি আমার ছেলে জেল থেকে না বের হলে। কেমনে আমার সংসার চলবে, আমি কাকে নিয়ে বেচে থাকব। আমি আমার নির্দোষ  ছেলের  মুক্তির দাবি জানাই।

প্রতিবেশীরা বলেন, কামাল শেখ  বাড়িতে আসতে পারলে এটা দ্রুত সমাধান হবে বলে তারা আশা পোষন করেন।